প্রতিটি মানুষেরই স্বপ্ন থাকে নিজের একটি সুন্দর, আরামদায়ক ও নিরাপদ বাড়ি থাকবে। কিন্তু শুধু স্বপ্ন দেখাই যথেষ্ট নয়। বাস্তবে বাড়ি বা ফ্ল্যাট নির্মাণ বা কিনতে গেলে প্রয়োজন বেশ ভালো এমাউন্টের অর্থ।
ঢাকা শহরের মতো জায়গায় জমি অনেক দামী এবং নির্মাণ খরচ বেশি। সাধারণ মানুষের কাছে ব্যক্তিগত সঞ্চয় দিয়ে সব করা প্রায় অসম্ভব। তখন প্রয়োজন হয় ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার।
তবে, লোন প্রক্রিয়া সবসময় সহজ নয়। সঠিক ডকুমেন্ট তৈরি, ব্যাংকের শর্ত বোঝা এবং অনুমোদন নেওয়াসহ সবই সময়সাপেক্ষ এবং জটিল। ছোট ভুলও লোন বাতিল বা দেরিতে অনুমোদনের কারণ হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে সহজেই ব্যাংক লোন নিতে রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে বড় সমাধান। এই আর্টিকেলে কীভাবে রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মাধ্যমে সহজেই ব্যাংক লোন পাবেন তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে। চলুন শুরু করা যাক
Contents
বাড়ি তৈরি করা বা কেনা জীবনের অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে পরিণত করতে গেলে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয় ব্যাংক লোন পাওয়া। বেশির ভাগ মানুষের কাছেই ব্যাংক লোন প্রক্রিয়া সব মিলিয়ে মাথা ঘোরা শুরু হয়।
কেননা ব্যাংক লোন পাওয়ার ক্ষেত্র কিছু ঝামেলা পার করতে হয় সঠিক ডকুমেন্ট প্রস্তুত করা, জটিল শর্ত ও অনুমোদন প্রক্রিয়া বোঝা। আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হল ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার সময় ছোট ভুল। এতে লোন বাতিল হয়ে যেতে পারে, অথবা সময় অনেক বাড়িয়ে দেয়।
তাহলে ভাবুন, এসব সমস্যার কারণে আপনার পছন্দের ফ্ল্যাট বুক করার পর লোন প্রসেসের ঝামেলায় ফ্ল্যাট হাতছাড়া হয়ে যায় অথবা প্রসেসিং ফি আর কাগজপত্রে অতিরিক্ত খরচে বাজেটে না পোষালে তখন কী হবে?
এরজন্য ঝামেলামুক্ত এবং সহজেই লোন পাওয়া জন্য এখন সিংহভাগ মানুষেই বিশ্বস্ত রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মাধ্যমে ব্যাংক লোন পেতে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে।
প্রথমত, অভিজ্ঞ রিয়েল এস্টেট কোম্পানি তাদের প্রকল্পের আয়-ব্যয়, নগদ প্রবাহ, বাজার বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতের সম্ভাব্য আয়ের তথ্য ব্যাংকের কাছে স্পষ্টভাবে দেখায়। ফলে ব্যাংক আশ্বস্ত হয় এবং লোন অনুমোদন সহজ হয়।। এ ক্ষেত্রে কোম্পানি ব্যাংকে প্রকল্পের প্রাক-অনুমোদন (Approval for Project Financing – APF) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে।
এটি প্রকল্পের বৈধতা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি এই প্রক্রিয়া আপনাকে ব্যাংক লোন পেতে ৬০% পর্যন্ত সময় বাঁচাবে।
দ্বিতীয়ত, রিয়েল এস্টেট কোম্পানি জমির দলিল, এনওসি (No Objection Certificate), ট্যাক্স রিটার্ন, পরিবেশ সংক্রান্ত রাজউক অনুমতি, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ব্যাংকের শর্ত মেনে প্রস্তুত করে। এতে ভুল বা ঘাটতির কারণে লোন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকেনা।
তৃতীয়ত, কোম্পানিগুলোর ব্যাংকের সঙ্গে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক থাকায় ব্যাংক বিশেষ অফার দিয়ে থাকে। যেমন কম সুদহার, প্রসেসিং ফি ছাড় এবং এক্সক্লুসিভ অফার। এতে আপনার খরচ হাজার টাকার বেশি বাঁচবে।
চতুর্থত, ব্যাংক লোনের ফর্ম ফিল-আপ থেকে শুরু করে আয়ের প্রমাণপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ট্যাক্স সার্টিফিকেট সব কিছু গুছিয়ে কোম্পানি আপনাকে প্রস্তুত করে দিবে। আপনাকে শুধু সব চেক করে সাইন করতে হবে।
পঞ্চমত, কোম্পানি আপনার ক্রেডিট স্কোর উন্নত করার পরামর্শ দিবে। এছাড়া বাজেট কেমনভাবে ম্যানেজ করবেন, প্রকল্পের ব্যবসায়িক রূপরেখা কেমন শক্তিশালী হবে এবং কিভাবে ঝুঁকি কমানো যাবে সব প্রফেশনালি শেখানো হয়। এতে আপনি ভালো শর্তে লোন পেতে পারবেন।
GLG Assets Ltd ক্লায়েন্টদের জন্য লোন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত এবং ঝামেলামুক্ত করে তোলে। আমাদের রয়েছে ব্যাংকের সঙ্গে দৃঢ় নেটওয়ার্ক এবং অতিদ্রুত ব্যাংক লোন পাওয়ার ব্যবস্থা। ফর্ম পূরণ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুতি করাসহ যেকেনো সমস্যায় আপনাকে সর্বোচ্চ বিশ্বস্ত সেবা প্রদান করা হবে। GLG Assets Ltd ব্যাংক লোন প্রাপ্তিতে একটি বিশ্বাসযোগ্য, সহজ ও দ্রুত মাধ্যম প্রতিষ্ঠান। আমাদের বিশেষ সুবিধাসমূহ হলো:
ব্যাংক লোন নেওয়া অনেকের জন্য দুশ্চিন্তার বিষয়। যার ফলে অনেকে ভয়ে ব্যাংক লোন নিতে পিছু পা হয় এবং স্বপ্নের বাড়ি তৈরি বা ফ্ল্যাট কেনা অপূরণীয় রয়ে যায়। কিন্তুু আপনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহজ ও ঝামেলামুক্ত টিপস ফলো করে খুব সহজেই ব্যাংক লোন পেতে পারেন। যেমন:
বাড়ি বানানোর জন্য বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য সকলেই ব্যাংক লোন পায়না। তবে ব্যাংক কিছু গ্রুপকে সহজেই লোন দিয়ে থাকে।
যারা প্রথমবার নিজের নামে বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনছেন, তাদের জন্য ব্যাংক লোন পাওয়া অত্যন্ত সহজ। পাশাপাশি আপনার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ঠিক থাকলে ব্যাংক ৭০% পর্যন্ত ঋণ দিতে পারে। প্রথমবার ক্রেতারা সহজে স্বপ্নের বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে পারে। কেননা ব্যাংকের বিশেষভাবে এই গ্রুপের মানুষদের জন্য আর্থিক চাপ কমায় এবং নিরাপদ লোন নিশ্চিত করে।
কিছু ব্যক্তি আছে যারা রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করতে চায় কিন্তু নগদ অর্থ কম থাকে। তখন তারা স্বাভাবিকভাবে ব্যাংকের লোন নিতে চায়। কারণ সহজেই ব্যাংকের লোন নিয়ে জমি বা সম্পত্তি ক্রয় ও নির্মাণ করা যায়।
এতে করে সাধারন মানুষের মধ্যে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ে এবং নগদ চাপ কমে। ব্যাংকের সহজ লোন পরিকল্পনা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমায়। ফলে প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হয়।
আবার অনেকেই রয়েছে যাদের ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক সম্পদ সীমিত। তবে তারা ব্যাংক লোন নিয়ে বাড়ি নির্মান করতে পারেন। এই প্রক্রিয়ায় সহজেই জমি বা বাড়ির দলিল দিয়ে ঋণ নেওয়া যায়।
এর ফলে কম সম্পদ থাকলেও বাড়ি নির্মান সম্ভব। এই প্রক্রিয়া তাদের আর্থিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে এবং নিরাপদভাবে বাড়ি নির্মান সম্পন্ন হয়। আপনি যদি ইতিমধ্যে একটি জমির মালিক হয়ে থাকেন তাহলে বাড়ি নির্মানের জন্য কনস্ট্রাকশন লোনের ব্যাপারে ভাবতে করতে পারেন।
ব্যাংক লোন নেওয়া অনেক সময় জটিল মনে হলেও, সঠিক গাইডলাইন পেলে লোন পাওয়া অনেক সহজ হয়। GLG Assets Ltd-এর অভিজ্ঞ টিম আপনার ডকুমেন্ট, বাজেট, ক্রেডিট স্কোর এবং লোন শর্তসহ সকল প্রক্রিয়া সহজেই সম্পর্ণ করে দিবে।
একটি বিশ্বস্ত রিয়েল এস্টেট কোম্পানির সাহায্যে আপনি ঝামেলামুক্ত লোন পেতে পারেন, বিশেষ সুবিধা পাবেন এবং স্বপ্নের বাড়ি গড়ে তুলতে পারবেন।
তাই আজই GLG Assets Ltd-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। লোন প্রক্রিয়ার সকল জটিলতা বাদ দিয়ে আমাদের অভিজ্ঞ টিমের মাধ্যমে সহজে, নিরাপদে আপনার নতুন বাড়িতে ঢুকুন।
একটি অভিজ্ঞ রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ব্যাংকের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্কের কারণে লোন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে। তারা আবেদন ও কাগজপত্রসহ সকল প্রসেস সম্পূর্ণ করে দিবে।
সহজ পেমেন্ট প্ল্যান অফার করে এবং ক্লায়েন্টকে ঝামেলা, বিলম্ব ও অতিরিক্ত খরচ থেকে রক্ষা করে। ফলে লোন পাওয়া অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়।
না, সব রিয়েল এস্টেট প্রজেক্টের জন্য ব্যাংক লোন পাওয়া যায় না। ব্যাংক শুধুমাত্র বৈধ ও অনুমোদিত প্রকল্পকে লোন দেয়। ব্যাংক প্রজেক্টের নকশা, অনুমোদন, জমির বৈধতা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা যাচাই করে।
তাই প্রজেক্ট বৈধ না হলে লোন বাতিল বা অবৈধ হতে পারে। বৈধ প্রজেক্ট হলে লোন প্রক্রিয়া অনেক সহজ ও ঝামেলামুক্ত হয়।
ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে GLG অ্যাসেটস ব্যাংক লোন পাওয়া সহজ করে তোলে। তাদের অভিজ্ঞ টিম আবেদন, কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ করে দেয়। ব্যাংকের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক থাকার কারণে লোন অনুমোদনের সম্ভাবনা অনেক বেশি।
হ্যাঁ, পারবেন। এই ধরনের লোনকে সাধারণত কনস্ট্রাকশন লোন বা হাউজ বিল্ডিং লোন বলা হয়। কনস্ট্রাকশন লোনে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খরচ মেটানো যায়। যেমন সামগ্রী, শ্রমিকের মজুরি, পারমিট ফি।
জমি ১ বছর মালিকানায় থাকতে হবে এবং সাধারণত ২০–২৫% ডাউন পেমেন্ট লাগে। GLG অ্যাসেটস-এর চলমান প্রকল্পে লোন পেলে সহজে নিজের বাড়ি নির্মাণ সম্ভব।